weather ২৯.০৩ o সে. আদ্রতা ৭০% , শনিবার, ৬ জুন ২০২৬, ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ঘানায় পেশা অনুযায়ী তৈরি হয় কফিন

প্রকাশ : ১৭-০৯-২০২৫ ২১:০৯

শেষযাত্রার জন্য মানুষের পেশা হিসেবে বানানো হয় নানা ধরনের কফিন, ছবি : ইনস্টাগ্রাম থেকে

পিপলসনিউজ ডেস্ক
পশ্চিম আফ্রিকার দেশ ঘানায় রংবেরঙের কফিনে করে মৃতদেহ সমাহিত করা হয়। স্থানীয় ভাষায় এগুলোর নাম ‘আবেবুও’।

কোনোটি দেখতে উজ্জ্বল গোলাপি রঙের মাছের মতো, কোনোটি সিংহের মতো। একটি দেখে মনে হবে আস্ত এক উড়োজাহাজ, যেটিতে জাতীয় পতাকা আঁকা।

এই কফিনগুলো কেবল মৃতদেহ সমাহিত করার জন্য নয়, বরং তাদের জীবনকে এককথায় ফুটিয়ে তুলতে তৈরি করা হয়। এ কারণে একজন কৃষকের কফিন কখনো গাড়ির মতো দেখতে হবে না; বরং তার কফিন হতে পারে তিনি যেসব যন্ত্র দিয়ে চাষ করতেন বা যে ফসল ফলাতেন, সেটির মতো। কফিনটি নিজেই হয়ে ওঠে একটি রূপক, যেটি মৃত ব্যক্তির ফেলে যাওয়া জীবনের কথা স্মরণ করিয়ে দেয়।

এসব কফিন সাধারণত কাঠ দিয়ে তৈরি করা হয়। ঘানার আদিবাসী গা সম্প্রদায়ের মধ্যে এভাবে মৃতদেহ সমাহিত করার প্রচলন রয়েছে। ঘানার দক্ষিণ উপকূলীয় অঞ্চল, বিশেষ করে রাজধানী আক্রা এবং এর আশপাশে এ সম্প্রদায়ের বসবাস।

গা সম্প্রদায়ের এই প্রথা এখন দেশজুড়ে জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। কেউ মারা গেলে প্রথমে পরিবারের সদস্যরা এক জায়গায় জড়ো হয়ে মৃত প্রিয়জনের সম্মানে কেমন কফিন তৈরি করা হবে, সে সিদ্ধান্ত নেন। তারপর তারা কাঠমিস্ত্রির কাছে যান।

কফিন কেমন হবে, সেটা নির্ভর করে মৃত ব্যক্তির ওপর। যদি তিনি একজন মাছ ব্যবসায়ী হন, তবে তার কফিন হবে মাছের আকৃতির। সিংহের আকারের কফিন কেবল সম্প্রদায়প্রধানদের জন্য সংরক্ষিত, কারণ সিংহ শক্তির প্রতীক।

একটি কফিন তৈরি করতে প্রায় দুই সপ্তাহ সময় লাগে। খরচ শুরু হয় প্রায় ৭০০ ডলার থেকে। তবে কাঠের ধরন এবং নকশার সূক্ষ্মতার ভিত্তিতে খরচ কমে-বাড়ে।

ঘানায় শবযাত্রা একটি প্রাণবন্ত অনুষ্ঠান। পরিবার একে মৃত ব্যক্তিকে শেষবার সম্মান জানানোর সুযোগ হিসেবে দেখে। যে কারণে শবযাত্রায় থাকে গান, নাচ এবং সাংস্কৃতিক প্রদর্শনী।

পিপলসনিউজ/আরইউ

-- বিজ্ঞাপন --


CONTACT

ads@peoplenewsbd.com

বিভাজন নয়, ‘উদার গণতন্ত্র’ প্রতিষ্ঠা করতে চাই : ফখরুল বিভাজন নয়, ‘উদার গণতন্ত্র’ প্রতিষ্ঠা করতে চাই : ফখরুল প্রধানমন্ত্রীর লাল টেলিফোনের তার চুরির ঘটনায় গ্রেপ্তার দুই প্রধানমন্ত্রীর লাল টেলিফোনের তার চুরির ঘটনায় গ্রেপ্তার দুই রামিসাকে ধর্ষণের পর হত্যা মামলার রায় ৭ জুন রামিসাকে ধর্ষণের পর হত্যা মামলার রায় ৭ জুন জিয়ার নেতৃত্বে স্বাধীনতার সূচনা, তারেকের নেতৃত্বে এগিয়ে যাবে দেশ : স্থানীয় সরকারমন্ত্রী জিয়ার নেতৃত্বে স্বাধীনতার সূচনা, তারেকের নেতৃত্বে এগিয়ে যাবে দেশ : স্থানীয় সরকারমন্ত্রী আদ-দ্বীন হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের অবহেলার প্রমাণ মিলেছে, দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হবে : স্বাস্থ্যমন্ত্রী আদ-দ্বীন হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের অবহেলার প্রমাণ মিলেছে, দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হবে : স্বাস্থ্যমন্ত্রী